ইমাম মাহদীর আগমনের ইঙ্গিত 2026 | ইসলাম কী বলে?
আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় দর্শক। আজকের ভিডিওতে আমরা কথা বলব একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আলোচিত বিষয় নিয়ে। ২০২৬ সালের রমজান মাসে একটি বিশেষ জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে – একই মাসে সূর্যগ্রহণ এবং চন্দ্রগ্রহণ। এই ঘটনা কি ইমাম মাহদীর আগমনের ইঙ্গিত বহন করছে? হাদিসে কী বলা হয়েছে? আর আমাদের করণীয়ই বা কী? আজকের আলোচনায় আমরা ইসলামী স্কলারদের মতামত এবং প্রামাণিক হাদিসের আলোকে এই বিষয়টি বিস্তারিত জানব।
READ MORE:প্রথমেই জানা প্রয়োজন, ইমাম মাহদী আসলে কে?
ইমাম মাহদী হলেন শেষ জামানায় আগমনকারী একজন মহান ব্যক্তিত্ব, যিনি নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বংশধর হবেন। তার নাম হবে “মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ” এবং তিনি ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর বংশ থেকে আসবেন। ইমাম মাহদী পৃথিবীতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন, যখন পৃথিবী অন্যায় এবং অত্যাচারে পরিপূর্ণ থাকবে। তিনি সাত বছর শাসন করবেন এবং তার সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও সমৃদ্ধি বিরাজ করবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইমাম মাহদীর আগমনের বিভিন্ন নিদর্শনের কথা উল্লেখ করেছেন
আবু দাউদ শরীফের একটি হাদিসে বলা হয়েছে, “মাহদী আমার বংশধর হতে হবে, তার কপাল হবে প্রশস্ত এবং নাক হবে উঁচু। তিনি পৃথিবীকে ন্যায়বিচার দ্বারা পূর্ণ করবেন, যেমনভাবে তা পূর্বে অত্যাচার দ্বারা পূর্ণ ছিল।” আরেকটি হাদিসে বলা হয়েছে, তার নাম নবীজির নামের সাথে মিলবে এবং তার পিতার নাম নবীজির পিতার নামের সাথে মিলবে।
এবারে আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে
দারে কুতনী এবং অন্যান্য হাদিস গ্রন্থে একটি বর্ণনা পাওয়া যায়, যেখানে বলা হয়েছে: “মাহদীর জন্য দুটি নিদর্শন থাকবে যা আসমান-জমিন সৃষ্টির পর থেকে কখনো ঘটেনি। রমজান মাসে চাঁদ গ্রহণ হবে তার প্রথম রাতে এবং সূর্য গ্রহণ হবে মধ্যম রাতে।” এই হাদিসের সনদ নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে, কিন্তু অনেক স্কলার এটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। সাধারণত চন্দ্রগ্রহণ রমজানের মধ্যভাগে এবং সূর্যগ্রহণ শেষের দিকে ঘটে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী
২০২৬ সালের রমজান মাসে প্রকৃতপক্ষে একটি বিশেষ ঘটনা ঘটবে ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে একটি পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ হবে, যা রমজানের ১৭ তারিখে পড়বে। এর ঠিক দুই সপ্তাহ পর, ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে একটি আংশিক সূর্যগ্রহণ হবে। এই ধরনের সমাপতন অবশ্যই বিরল, তবে প্রতি কয়েক দশকে একবার ঘটে থাকে। প্রশ্ন হলো, এটি কি সেই হাদিসে বর্ণিত নিদর্শন?
আকর্ষণীয় বিষয়
এই ধরনের রমজানে গ্রহণের ঘটনা আগেও ঘটেছে। ১৮৯৪ সালে রমজান মাসে চন্দ্রগ্রহণ এবং সূর্যগ্রহণ ঘটেছিল। সেই সময় মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী নিজেকে মাহদী দাবি করেছিলেন এই গ্রহণকে দলিল হিসেবে ব্যবহার করে। তবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আলেমগণ তাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং তার দাবি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এটি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, শুধুমাত্র গ্রহণের ঘটনাই যথেষ্ট নয়, বরং অন্যান্য সব শর্ত এবং নিদর্শন পূরণ হতে হবে।
সমসাময়িক ইসলামী স্কলারদের মতামত কী?
বেশিরভাগ আলেম বলেন, গ্রহণের হাদিসটির সনদ দুর্বল এবং এটি একমাত্র নিদর্শন নয়। শায়খ আলবানী (রহ.) এই হাদিসকে দুর্বল বলে চিহ্নিত করেছেন। তবে কিছু আলেম বলেন, এটি অন্যান্য বর্ণনার সাথে মিলিয়ে বিবেচনা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইমাম মাহদীর আগমনের সময় কেউ নির্দিষ্ট করে বলতে পারে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের সময় সম্পর্কে জল্পনা-কল্পনা করো না। আমাদের কাজ হলো প্রস্তুত থাকা, অনুমান করা নয়।
গ্রহণ ছাড়াও ইমাম মাহদীর আগমনের আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হাদিসে বর্ণিত আছে
প্রথমত, তিনি মক্কায় আবির্ভূত হবেন এবং রুকন ও মাকামের মাঝখানে তার হাতে বাইআত নেওয়া হবে। দ্বিতীয়ত, একটি সেনাবাহিনী তাকে আক্রমণ করতে আসবে কিন্তু বাইদা নামক স্থানে মাটিতে ধসে যাবে। তৃতীয়ত, তার সময়ে দাজ্জালের আবির্ভাব এবং ঈসা (আ.) এর অবতরণ ঘটবে। চতুর্থত, ইয়াজুজ মাজুজের আবির্ভাব হবে। এসব বড় নিদর্শন ছাড়া শুধু গ্রহণ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া ভুল হবে।
পবিত্র কোরআনে কিয়ামতের ছোট ও বড় আলামতের কথা বলা হয়েছে
সূরা মুহাম্মদে আল্লাহ বলেন, “তারা কি শুধু এই অপেক্ষায় আছে যে, তাদের কাছে হঠাৎ কিয়ামত এসে যাবে? অথচ তার নিদর্শনসমূহ তো এসেই গেছে।” সূরা আন-নাজিয়াতে চন্দ্র বিদীর্ণ হওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা নবীজির যুগেই ঘটেছিল। কোরআন আমাদের সতর্ক করে দেয় যে, আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন সবসময় প্রকাশ পাচ্ছে। আমাদের দায়িত্ব হলো সেগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসা।
মাহদীর আগমনের পূর্বে পৃথিবীর কী অবস্থা হবে?
হাদিসে বলা হয়েছে, চরম অরাজকতা ও ফিতনা বিরাজ করবে। মুসলিম শরীফের হাদিসে আছে, “তোমরা এমন এক যুগে প্রবেش করবে যখন দীন মেনে চলা হবে জলন্ত কয়লা হাতে রাখার মতো কঠিন।” অন্য হাদিসে বলা হয়েছে, নেতৃত্ব হবে অযোগ্যদের হাতে, আমানত নষ্ট হবে, খুন-খারাবি বৃদ্ধি পাবে। প্রশ্ন হলো, আজকের পৃথিবীর দিকে তাকালে কি আমরা এসব নিদর্শন দেখতে পাচ্ছি? অনেক আলেম বলেন, হ্যাঁ, কিছু লক্ষণ স্পষ্ট। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শুধু আল্লাহর।
ইতিহাসে অনেকেই নিজেদের মাহদী বলে দাবি করেছেন
মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী ছাড়াও, সুদানের মুহাম্মদ আহমদ (১৮৮৫), ইরানের বাব আন্দোলনের নেতা (১৮৫০) এবং আরও অনেকে এই দাবি করেছেন। প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের দাবি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এটি আমাদের সতর্ক করে দেয় যে, কেউ নিজেকে মাহদী দাবি করলে সাবধান হতে হবে। প্রকৃত মাহদী নিজে জানবেন না যে তিনি মাহদী, বরং মুসলিম উম্মাহ তাকে চিনে নেবে এবং তার হাতে বাইআত করতে বাধ্য করবে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য।
হাদিসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ইমাম মাহদীর সময়েই দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে
দাজ্জাল হবে সবচেয়ে বড় ফিতনা, যা কিয়ামত পর্যন্ত আসবে। প্রতিটি নবী তাদের উম্মতকে দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। দাজ্জাল মিথ্যা দাবি করবে যে সে খোদা, অলৌকিক ঘটনা ঘটাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য। ইমাম মাহদী দাজ্জালের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, কিন্তু চূড়ান্ত বিজয় আসবে ঈসা (আ.) এর হাতে, যিনি দাজ্জালকে হত্যা করবেন। এই পুরো ঘটনাক্রম একটি নির্দিষ্ট ক্রমে ঘটবে।
ইমাম মাহদীর সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হবে ঈসা (আ.) এর আসমান থেকে অবতরণ
সহীহ মুসলিমের হাদিসে আছে, ঈসা (আ.) দামেস্কের পূর্বদিকে সাদা মিনারের কাছে দুই ফেরেশতার কাঁধে ভর করে অবতরণ করবেন। তিনি হালকা হলুদ রঙের দুই কাপড় পরিহিত থাকবেন। তিনি নামাজের জন্য ইমাম মাহদীর পেছনে দাঁড়াবেন, যা প্রমাণ করবে যে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ নবী। ঈসা (আ.) দাজ্জালকে হত্যা করবেন এবং তার সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।
ঈসা (আ.) এর সময়ে আরেকটি বড় ফিতনা হবে ইয়াজুজ ও মাজুজের আবির্ভাব
কোরআনে সূরা কাহাফ এবং সূরা আম্বিয়ায় তাদের কথা বলা হয়েছে। জুলকারনাইন তাদেরকে একটি প্রাচীরের পেছনে বন্দী করে রেখেছিলেন। কিয়ামতের কাছাকাছি সময়ে সেই প্রাচীর ভেঙে তারা বেরিয়ে আসবে। তারা সংখ্যায় এত বেশি হবে যে, পৃথিবীতে মারাত্মক ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে। হাদিসে আছে, ঈসা (আ.) এবং মুমিনগণ পাহাড়ে আশ্রয় নেবেন এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন। তারপর আল্লাহ এক রাতে তাদের সবাইকে ধ্বংস করে দেবেন। এরপরই প্রকৃত শান্তির যুগ শুরু হবে।
তাহলে আমাদের কী করা উচিত?
প্রথমত, অযথা তারিখ নির্ধারণ এবং জল্পনা-কল্পনা থেকে বিরত থাকা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা এমনভাবে আমল করো যেন আগামীকাল তোমার মৃত্যু, এবং এমনভাবে পরিকল্পনা করো যেন তুমি হাজার বছর বাঁচবে।” দ্বিতীয়ত, নিজের ঈমান ও আমল শক্তিশালী করা। নামাজ, রোজা, যাকাত, সৎকাজ – এগুলো নিয়মিত করা। তৃতীয়ত, দাজ্জালের ফিতনা থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাওয়া। প্রতিটি নামাজে তাশাহুদের পর এই দোয়া পড়া সুন্নত।
দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষভাবে সূরা কাহাফ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন
হাদিসে আছে, “যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা পাবে।” এই সূরায় চারটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বর্ণিত আছে – আসহাবে কাহাফ, দুই বাগানের মালিক, মূসা ও খিজির, এবং জুলকারনাইন। প্রতিটি ঘটনা আমাদের শিক্ষা দেয় কীভাবে ফিতনা থেকে বাঁচা যায়। শুক্রবার নিয়মিত এই সূরা পড়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ এবং দাজ্জাল থেকে সুরক্ষার মাধ্যম।
২০২৬ সালের গ্রহণ নিয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী হওয়া উচিত?
প্রথমত, এটি অবশ্যই আল্লাহর একটি নিদর্শন এবং আমাদের সৃষ্টিকর্তার মহত্ত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। দ্বিতীয়ত, এটি হতে পারে একটি সতর্কবার্তা যে আমরা শেষ যুগের কাছাকাছি। তৃতীয়ত, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে ২০২৬ সালেই মাহদী আসবেন। এমন দাবি করা ভুল এবং বিভ্রান্তিকর। চতুর্থত, আমাদের ফোকাস হওয়া উচিত নিজেদের সংশোধন করা, না কি তারিখ নির্ধারণ করা। পঞ্চমত, যদি মাহদী আগামীকালও আসেন, আমাদের প্রস্তুতি থাকা উচিত। আবার তিনি যদি ১০০ বছর পরেও আসেন, তাও আমাদের দায়িত্ব একই।
মাহদী সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা প্রচলিত আছে
প্রথম ভুল: মাহদী গায়েব থেকে আসবেন। না, তিনি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ করবেন। দ্বিতীয় ভুল: মাহদী নবী হবেন। না, তিনি একজন সৎ নেতা হবেন, নবী নন। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ নবী। তৃতীয় ভুল: মাহদী নিজেকে ঘোষণা করবেন। না, মানুষ তাকে চিনবে এবং তার হাতে বাইআত করবে। চতুর্থ ভুল: মাহদীর সময় সব সমস্যার সমাধান হবে। না, দাজ্জাল এবং ইয়াজুজ মাজুজের ফিতনা তার সময়েই আসবে। পঞ্চম ভুল: শুধু মাহদীর জন্য অপেক্ষা করলেই হবে। না, আমাদেরকে এখনই সৎকাজ করতে হবে।
শেষ যুগে আমাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত দায়িত্ব কী?
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যদি কিয়ামত এসে যায় আর তোমার হাতে একটি চারা থাকে, তাহলে সম্ভব হলে তা রোপণ করে ফেলো।” এর অর্থ হলো, কখনও নেক কাজ করা বন্ধ করো না। পরিবারকে দীনের পথে রাখো। সন্তানদের ইসলামী শিক্ষা দাও। গরীব-দুঃখীদের সাহায্য করো। সমাজে ন্যায়ের পক্ষে কথা বলো। অন্যায়ের প্রতিবাদ করো। জ্ঞানার্জন অব্যাহত রাখো। দীনের দাওয়াত দাও। এভাবেই আমরা যেকোনো সময়ের জন্য প্রস্তুত থাকব।
প্রিয় দর্শক, আজকের আলোচনা থেকে কয়েকটি মূল বিষয় মনে রাখবেন
এক, ২০২৬ সালের রমজানে গ্রহণ ঘটবে, এটি সত্য। কিন্তু এর মানে এই নয় যে সেই বছরই মাহদী আসবেন। দুই, ইমাম মাহদীর আগমন অবশ্যই ঘটবে, কিন্তু সেই সময় কেউ জানে না। তিন, আমাদের দায়িত্ব হলো প্রস্তুত থাকা, অনুমান করা নয়। চার, দাজ্জালের ফিতনা থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইতে থাকুন। পাঁচ, সূরা কাহাফ নিয়মিত পড়ুন। ছয়, নেক আমল করতে থাকুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথে রাখুন এবং ফিতনা থেকে রক্ষা করুন। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক করুন, শেয়ার করুন এবং চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
Follow our social media:
Facebook | YouTube channel | X | Pinterest | Quora | Instagram | LinkedIn | Threads | Telegram | Reddit For more information on regulation, visit the Girls World 24 official website.ভালো লাগলে লাইক করুন, শেয়ার করুন এবং চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

